তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ০-১ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। মুশফিকের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের জয়ের পর সুগম হয়। মুশফিক আর সোম্য ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ ভালো অবস্থা যায়। সোম্য আউট হওয়ার পর মুশফিক আর মাহামুদুল্লাহ ব্যাটিংয়ে এ জয় আসে।
টি-টোয়েন্টিতে আগের ৮ বারের দেখায় একবারও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম জয়টি এলো দেশের ক্রিকেটের দারুণ দুঃসময়ে। মুশফিকুর রহিমের দারুণ ইনিংস দলকে এনে দিল বহু কাঙ্ক্ষিত জয়।
এবার আর কাছে গিয়ে হারের যন্ত্রণায় পুড়তে হলো না মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে। জয়ের হাসি তাই বাংলাদেশ শিবিরেও। মুশফিকের দুর্দান্ত ইনিংসে ধরা দিল দারুণ জয়। ৩ বল বাকি রেখে বাংলাদেশ জিতেছে ৭ উইকেটে।
গত কয়েক বছরে বেশ কবার কাছে গিয়েও হেরেছিল বাংলাদেশ। মুশফিক নিজে পারেননি কাজ শেষ করতে। এবার সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি হয়নি। ৪৩ বলে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে মুশফিক ফিরেছেন দলের জয় সঙ্গে নিয়ে।
শেষ ২ ওভারে যখন প্রয়োজন ২২ রান, ১৯তম ওভারের শেষ চার বলে খলিল আহমেদকে টানা চার মেরে দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যান মুশফিক।
২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৩ বলে ২ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। এবার মাহমুদউল্লাহও ছিলেন উইকেটে। শেষ ওভারে তার ছক্কায় নিশ্চিত হয়েছে জয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ২০ ওভারে ১৪৮/৬ (ধাওয়ান ৪১, রোহিত ৯, রাহুল ১৫, শ্রেয়াস ২২, পান্ত ২৭, দুবে ১, পান্ডিয়া ১৫*, সুন্দর ১৪*; শফিউল ৪-০-৩৬-২, আল আমিন ৪-০-২৭-০, মুস্তাফিজ ২-০-১৫-০, আমিনুল ৩-০-২২-২, সৌম্য ২-০-১৬-০, আফিফ ২-০-১৫-০, মোসাদ্দেক ১-০-৮-০, মাহমুদউল্লাহ ১-০-১০-০)
বাংলাদেশ: ১৯.৩ ওভারে ১৫৪/৩ (লিটন ৭, নাঈম ২৬, সৌম্য ৩৯, মুশফিক ৬০*, মাহমুদউল্লাহ ১৫*; চাহার ৩-০-২৪-১, সুন্দর ৪-০-২৫-০, খলিল ৪-০-৩৭-১, চেহেল ৪-০-২৪-১ , পান্ডিয়া ৪-০-৩২-০, দুবে ০.৩-০-৯-০ )।



0 Comments