গাইবান্ধায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

গাইবান্ধায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো:
পৃথিবীর বর্তমানে প্রধান দুটি শত্রু মধ্যে একটি জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যটি প্লাস্টিক এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি যে জেলাগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তারমধ্যে গাইবান্ধা অন্যতম। জেলার উপর দিয়ে বহমান নদীগুলো হলো ঘাঘট, ব্রক্ষপুত্র, যমুনা নদী। যার ফলে প্রতিনিয়ত বন্যা,নদীভাঙ্গনে পড়তে হয়।
নদীভাঙ্গন ও বন্যার ফলে গাইবান্ধার ক্ষতিসমূহ:
>নদীভাঙ্গনে শতশত মানুষ গৃহহারা।
>নদীভাঙ্গনে ফসলি জমি বিলীন।
>রেলপথ ক্ষতিগ্রস্থ।
>বাঁধ,সড়কগুলো নদীগর্ভে বিলীন ইত্যাদি।
>বন্যায় মানুষ, ঘরবাড়ি,রাস্তাঘাট,রেলপথ, ফসিল জমি বিলীন হচ্ছে।
>বন্যা পরবর্তী সুপেয় পানি,খাদ্য, চিকিৎসা,যোগাযোগ ও রোগের মহামারি অাকার ধারণ করে যার ফলে মানুষের প্রাণহানী ঘটছে।

*যেসব স্থানে দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন:
>গাইবান্ধার বাঁধ ব্যবস্থাপনার তদারকি প্রয়োজন।
>বাঁধ, রেলপথ, সড়ক মেরামত প্রয়োজন।
>নদীভাঙ্গন মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
>ভরাট হওয়া নদীগুলো খননের ব্যবস্থা করা দরকার।
>পর্যাপ্ত অাশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা।
>অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
>জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।অাবার স্থানীয় সরকারের প্রয়োজন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা তদারকি প্রয়োজন। এইসব দিক দৃষ্টি দেওয়া উচিৎ।

গাইবান্ধার মানুষ প্রতিনিয়ত নদীভাঙ্গন,বন্যা ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। চর এলাকার মানুষ বন্যার হাত থেকে রক্ষার জন্য উচুঁ স্থানে অস্থায়ীভাবে অাশ্রয় গ্রহন করছে। এলাকার প্রধান প্রধান বাঁধগুলা যাতে সহজেই না ভাঙ্গে তা সবসময় তদারকি করে যাচ্ছে। দুর্যোগপূরর্ণ সময়ে স্থানীয় সরকারের সাহায্য গ্রহন করছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা গড়ে তুলছে,নদী ভাঙ্গন মোকাবেলা বনায়ন সৃষ্টির করছে।

*বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন যেভাবে সামাল দিচ্ছে:
বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে যেভাবে সামাল দিচ্ছে :
>বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে যার ফলে তাদের প্রতিনিয়ত অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
>নদীভাঙ্গন,বন্যা,ঝড়,জলচ্ছাসসহ দূর্যোগের মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, বাঁধ নির্মাণ, অাশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ,দূর্যোগ পূর্ববর্তী দূত পূবাভাস পাওয়ার জন্য অাবহাওয়া অধিদপ্তরের দক্ষতা বৃদ্ধি করছে।বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ,সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাল দিচ্ছে।
>নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের যোগান নিশ্চিত করছে।
>পরিবেশ দূষণ মোকাবেলায় যানবাহন,কলকারখানা, কয়লাপোড়ানো, জ্বালানি নির্ভরশীল কমানোর উপায় খুজঁছে।
>সৌরশক্তি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।
>জনগণকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা উন্নত প্রশক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
>জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের সাহায্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নিজেদের মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments